Happy Thanksgiving

November 29, 2008

Wal-Mart worker dies in shoppers’ stampede – Los Angeles Times

“At 5:03 a.m. Friday, customers surged toward a Long Island Wal-Mart store’s entrance.

A 34-year-old temporary employee was killed when a “throng of shoppers . . . physically broke down the doors, knocking him to the ground,” according to a statement from Nassau County officials.

He was declared dead at a hospital at 6:03 a.m. The exact cause of death has not been determined.”

[more ..]

Advertisements

মুছে গেছে সব, দেনা-পাওনার স্মৃতি

November 22, 2008

কদিন আগে আমি বাংলা নাটকের বিরাট পোকা হয়ে গিয়েছিলাম। অনলাইন-এ বাংলা নাটকের অভাব নেই, দেখে শেষ করা যায়না এইরকম অবস্থা। গত ক’বছর হল বাংলা নাটক সেই পুরাতন আদল ভেঙ্গে একটু একটু করে বেরিয়ে অসতে পারছে। এখন নাটক মানেই পুতু পুতু জ্ঞানের কথা আর তরুণ-তরুণীর ভালবাসা এবং দেশপ্রেম বিষয়ক প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ উপদেশ-বানী না। এখন বাংলা নাটক অনেক সাবলীল, অনেক স্বাভাবিক এবং অনেক বাস্তবমুখী। কদিন আগে একটা বাংলা নাটকে ‘বাল’ শব্দটার বিশেষ ব্যাবহার দেখলাম। অবশ্যই গর্বিত হবার মত কোন বিষয় না। আমরা চাইনা আমাদের নাটকে অশালীন শব্দের ব্যাবহার থাকুক। কিন্তু ভালো লাগল এই পরিবর্তন দেখে। এখনকার নাটকে সাধারণ জীবনের প্রতিফলন থাকছে। আমি কোনদিন কোন মাস্তান-গুণ্ডাকে বলতে শুনিনি, “এই! তুই আমার দিকে চোখ তুলে তাকিয়েছিস কেন রে শয়তান! আমি কিন্তু এখন তোর চোখ তুলে ফেলব, দুষ্টু” – বরং বলতে শুনেছি, “ওই বাল! তুই আমার দিকে তাকাইয়া কি দেখস? চেহারা মাপতাছছ? চউখ গাইলা দিমু হাউয়ার পোলা, চিনস আমারে” – এখন নাটক মানেই, “আমি এসেছি, তুমি এসেছিলে? তোমাকে ছাড়া আমি বাঁচবোনা, বুঝতে পেরেছ?”- না। এখন নাটক মানে, “আমি আসছি, তুমি কই? গেলে যাওগা, কতো জিনিসআইলো-গেলো, এত ভাবার টাইম নাই মামা”।

আমি জানি আমি হয়ত একটু বাড়িয়ে বলছি, কিন্তু আসলেও ইদানীং নাটক দেখে অনেক মজা পাই। ‘হাউস-ফুল’ একটা নাটক, সেটার সাথে-তো আমি একদম গেঁথে আছি গত কদিন ধরে। ছেলে লেখাপড়া করছে না, মা এসে কান ধরে গদাম করে এক চড় বসালেন, দেখেই ভালো লাগায় মনটা ভরে যায় আমার, কারণ এই চড়টা আমিও খেয়েছি, মায়ের এই রণমুর্তী আমাকেও দেখতে হয়েছে। আমি বলছি না লেখাপড়া না করলে শিশুদের চড়-থাপ্পড় মারা উচিত, তবে শিশুদের চড় দেয়ার প্রচলন থাকলে নাটকেও সেটা দেখানোর সাহস থাকা উচিত। আমরা যেই ভাবে কথা বলি, এখনকার অনেক নাটক সেইভাবে কথা বলে। আমাদের ভাল লাগে। নাটক কেন সব সময় শুদ্ধ, পরিমেয়, উন্নত-রুচির হতে হবে, যেখানে আমাদের আশেপাশে তথাকথিত সেইসব উন্নত রুচির মানুষ মাত্র হাতে গোনা ক’জন এবং যারা জ্ঞানের কচকচানি ছাড়া আমাদের বিশেষ আর কিবা দিতে পেরেছেন! অর্থহীন কিছু, “এটা করো না, ওটা করো না, এটা সুস্থ, ওটা অসুস্থ, তোমরা বুঝ না, আমরা বুঝি, তোমরা জান না, আমরা জানি” এই মায়াজালে আটকে রাখতে চেয়েছেন আমাদের সারা-বেলা। সবাই অসভ্য হয়ে যাক এটা আমাদের কাম্য না, তবে সবাই স্বাভাবিক হউক, এটা আমরা অবশ্যই চাইতে পারি।

সব থেকে বিরক্ত লাগে গ্রামের নাটক দেখতে। গ্রামের নাটক মানেই একদল সহজ-সরল মানুষ, যারা খুব গুছিয়ে কোন একটা বিশেষ আঞ্চলিক ভাষায় টেনে টেনে বিরাট বিরাট সব ভাবের কথা বলেন। একজন থাকেন চেয়ারম্যান সাব, যিনি একাই দুষ্টের শিরোমণি লঙ্কার রাজা সেজে সবাইকে যন্ত্রণা করেন, উনার সাথে আবার সবসময় একটাই চামচা থাকে! একি ঘটনা, একি ব্যাপার, সেই ঘুরেফিরে। সেই দিনতো এখন আর নেই, এখন গ্রামের মানুষ মোবাইল ফোন দিয়ে কথা বলে দিন-রাত, অনলাইনে বসে বসে হয়তো এই ব্লগ-ও পড়ছে, কে জানে! গ্রামের মানুষ এখন শার্ট প্যান্ট পরে বাজারে যায়। একটা গ্রামে এখন শুধু একজনই শিক্ষিত ছেলে থাকে না, আরও অনেক বেশী থাকে। সবকিছু বদলাচ্ছে, আমাদের নাটক কেন বদলাবে না? অবশ্যই গ্রাম নিয়ে চমৎকার কিছু নাটক হয় মাঝে মাঝে, কিন্তু তার সংখ্যা খুবই কম আর না হয় সেসব আমার রাডারে ধরা পড়ে না। অনেকদিন আগে একটা নাটকে দেখেছিলাম গ্রামের একজন দরিদ্র স্কুল শিক্ষককে নিয়ে, যার আদতে কোন স্কুলই ছিল না। তিনি গাছের নিচে ছাত্র পড়াতেন আর স্বপ্ন দেখতেন তিনি একদিন একটা স্কুল গড়বেন। তার সেই স্বপ্ন কোনদিনও পূরণ হয়নি। স্কুল হয়েছিলো ঠিকই, কিন্তু তার শিক্ষাগত যোগ্যতার অভাব থাকার কারণে তিনি সেই স্কুলের শিক্ষক হতে পারেন নি। কাগজের সার্টিফিকেটের কাছে তার আন্তরিক ইচ্ছা হেরে গিয়েছিলো।

নাটক এমন হওয়া উচিত যেটা আমাদের ভাবতে শেখায়, যেটা আমাদের পাশ কাটিয়ে চলে যেতে শেখায় না। আমরা সাধারণ দর্শকরা যদি নাটকের সাথে নিজেদের জীবন সম্পৃক্ত করতে নাই পারি, তাহলে নাটকের সেই গোপন এবং মহান জ্ঞানের বানী (যেসব নাট্যকাররা আমাদের ঠেসে ধরে গেলাতে চান) কোনদিনও আমাদের কানে এসে ঢুকবে না। আমরাতো ভেবে নিবো, “হেহ! ধুরও এইটা তো নাটক, নাটকতো নাটকই, নাটকে কিনা বলে ছাগলে কিনা খায়”।

আমি আস্তে আস্তে শ্যাম্পু হয়ে যাচ্ছি। এক চামচ শ্যাম্পু দিয়ে যেমন এক বালতি ফেনা হয়, আমিও একটা কথা বলতে গিয়ে তেত্রিশটা কথা বলে ফেলি। শুধু একটা গান পোস্ট করতে এসেছিলাম, কত কিছু লিখে ফেললাম হুড়মুড় করে। যাই হোক, গানের কথায় আসি। ‘উপসংহার’ নাটকের গান। উপসংহার নাটকটা দেখে খুবই ভালো লেগেছিল। স্বাভাবিক এবং স্বার্থপর মানুষের গল্প নিয়ে নাটক। নাটক আমার খুব একটা মনে থাকে না, দেখি আবার ভুলে যাই। তবে এই নাটকের কাহিনী আমি এখনও মনে করতে পারি, নামটাও মনে আছে। নাটকের শেষে এই গানটা ছিল, “মুছে গেছে সব দেনা-পাওনার স্মৃতি”। গানটা আসলেও দারুণ নাকি নাটকের জন্যই গানটা দারুণ লেগেছিল জানি না। হুট করে শুনলে অতটা ভালো নাও লাগতে পারে। আজ অনেকদিন পর YouTube-এ গানটা পেলাম। ছেপে দিলাম।

দ্বিতীয় গানটা একটা বিখ্যাত লালনগীতি। দুটো গানই ‘লালন’ ব্যান্ডের।

Band: Lalon
Album: Biprotip
Track: Biprotip 2003

Download mp3, Download slow version (Biprotip 2007 mp3)

Band: Lalon
Album: Birotip
Track: Jaat Gelo Download Mp3


ঘটনাবিহীন দিন

November 20, 2008

অনেকদিন পর শুধুমাত্র সময় কাটানোর জন্যই লিখতে বসেছি। মাত্র কদিন আগেই ঠিক করেছিলাম ব্লগ লেখালেখির যন্ত্রণায় আর যাব না। কিন্তু আজ আবার যাচ্ছি। নেড়া মাথার মানুষ নাকি একবার’ই বেলতলায় যায়। আমি এমনই এক নেড়া, যে খুব আগ্রহ নিয়ে বার বার বেলতলায় যায়। এদিক ওদিক তাকিয়ে, দরকার হলে মাথায় বালিশ দিয়ে, হেলমেট পরে যাই। তবু বারংবার বেলতলাতে আমাকে যেতেই হয়, বেলতলার মায়া কাটানো আমার জন্য অত সহজ নয়।

জীবন প্রায় আটকে গেছে গত ছ’দিন ধরে। পুরোপুরি আটকে যায়নি। মোটামুটি রকমের আটকে গেছে। জীবনের আনন্দ-মিটার খুব দ্রুত উঠা-নামা করছে। আজ হয়ত মহা আনন্দে আছি, কাল হয়ত মহা-মন্দা যাবে।

ভাতিজা-দর্শন করতে এসেছি। দর্শন প্রক্রিয়া কোনভাবেই সম্পূর্ণ হচ্ছে না, মন কোনভাবেই ভরছে না। অসাধারণ অভিজ্ঞতা! অভিজ্ঞতাটা এতটাই নিজের এবং একান্ত ব্যক্তিগত যে সেটা এখানে লিখতেও অস্বস্তি লাগছে। ভাইয়ার ছেলেটার নাম আরিয়ান। বয়স মাত্র ১৯ দিন। এই শিশু কি প্রচণ্ড রকমের আকর্ষণী ক্ষমতা নিয়ে পৃথিবীতে এসেছে! তার মুখের দিকে হা করে তাকিয়ে সারাদিন কাটিয়ে দেয়া যায়, বিরক্ত লাগে না। ঘণ্টার পর ঘণ্টা তাকে কোলে নিয়ে বসে থাকা যায় একই ভাবে মূর্তির মত, হাত ব্যথা করে না।

এমন না যে তার মুখ দিয়ে চুইয়ে চুইয়ে রূপ ঝরে। কোন এক অদৃশ্য রূপ হয়ত আসলেও বের হয়ে ছড়িয়ে পড়ে, যেই গোপন রূপ শুধু শিশুর মামা-চাচা-খালা’রাই দেখতে পায়। হাল্কা চোখ পিটপিট, ছোট ছোট নিঃশ্বাসের সাথে উঠছে নামছে বুক। একটু একটু করে একটা চোখ খুলে দেখছে আশপাশটা, যেন দেখে নিচ্ছে নতুন এই পরিবেশে চোখ খোলার কি আদৌ দরকার আছে কোনও, দেখার মত তেমন কিছু কি ঘটছে আশেপাশে! গভীর ঘুমের মাঝেও তার মুখ বদলে যায় ছবির মত। এই দেখি মিট-মিট করে হাসছে, ছুটে গিয়ে ক্যামেরা এনে দেখি, হাসি উবে গেছে, কাঁদো কাঁদো চেহারা। আমার ধারনা ছিল শুধু অলস আর বুড়ো মানুষরাই বুঝি ঘন ঘন হাই তুলে। এখন জেনেছি সব থেকে বেশি হাই তুলে নবজাতকরা। প্রথম প্রথম তো কোলে নিতেই ভয় লাগত। এত নরম, এত তুলতুলে, এত লাপুশ-লুপুশ, আমার খশখশে গা লেগে দাগ না পড়ে যায়! এখন ভয় কাটিয়ে উঠেছি, দাগ পড়লে না হয় পড়বে, আমার ভাতিজার গায়ে-ইতো পড়বে, আমার দাগই তো পড়বে। :)

ভাবছি, শিশুরা কি ভাবে? তারা চোখ মেলে কি দেখে? আমাদের সারি সারি থ্যাবড়ানো চেহারা? ঝাপসা কিছু রঙ্গিন অবয়ব? আমরা যখন গভীর মমতায়, ‘ওলে বাবালে! সোনা বাবুলে” করতে করতে তাদের নাকে নাক ঘষি, তারা কি আমাদের আদরটা টের পায়? নাকি তাদের মনে হয় কোনও কিম্ভূতকিমাকার ডাইনোসর এসে তার এই-টুকুন নাকে নিজের অমসৃণ লেজ ঘসে দিচ্ছে? আমরা যখন তাদের দিকে তাকিয়ে হাসি, তাদের হয়ত মনে হয় ভয়াবহ বিশাল দৈত্যরা দলবেঁধে দাঁত কেলিয়ে ছুটে আসছে হী হী করতে করতে, এখুনি কামড়ে দিবে। আমি অবশ্য খুব সাবধানী। যতদূর সম্ভব আমার দাঁত লুকিয়ে রাখি আমার ভাতিজার কাছ থেকে। আমি চাইনা তার শিশুমনের অবচেতনে দৈত্যাকার সব চাচা-মামাদের সৃতি বয়ে বেড়াক।

Vabte kemon lage, shompurno khali ekta manob hard drive! Dhire dhire proyojonio oproyojonio toththo diye bhore utchche. Sriti toiri hochche. Sriti je toiri hochche, sheta bozhar khomota o tar hoy ni ekhono, hoyto ejonnoi ei sriti gulo kokhono she hatre ber kore ante parbe na onek bochor por. Kintu sriti thik e joma hochche. Dekhche, shikhche. Khida lagle kadte hobe, ghum pele hat pa chure janate hobe.. eto tukun shikhkha to shikhe geche.

Vatija dorshon er porbo chara jibone anondoymoy ghotona ar khub ekta ghotche na. Ektu ghura ghuri korechi edik shedik. Ekhon churanto birokti niye boshe thaki bashay ar din gunte thaki ferot jabar. Goto 5 dine ami joto TV dekhechi.. goto 5 bochore ami oto TV dekhi ni. Ami emni tei TV dekhar khub ekta poka noi. Kono ek shudur otitey amar room’e ekta TV chilo, jeta ami kokhonoi dekhte partam na. Karon remote khuje petam na. Hoyto 3 mash por kono ekta gopon jayga theke remote bechara udhdhar peto, tokhon dekha jeto battery te charge nei, AAA battery khuje khuje hoyran. Aro ek mash por battery jogar hoto to remote ke ar khuje pawa jeto na.

Jai hok, ei kodin gobhir agroho niye TV dekhchi. Din rat court TV. Oporichito manush ra tuchcho shob bishoy niye jhogra korche, ami mugdho hoye shei shob dekhchi. Prothome dui pokhkher chehara dekhei ami mone mone thik kore nei, ashole ke oporadhi hote pare. Mamla cholte thake. Proti muhurte amar dharona palta’te thake. E ek mojar khela. Beshir vag shomoy dekha jay ami vodro nomro chehara dekhe bivranto hoi. Mamlar shuru te jake ami oshohay shadharon manush vebechilam, mamlar sheshe dekha jay.. shei ekzon du’dhorsho dagi oporadhi; hoyto tar bondhu ke pawna 250$ ferot dey ni, na hoy kono kukur ke lathi diyeche pete.. na hoy kono bondhur notun kena suit nosto kore feleche kintu khoti-puron dite oshshikriti janachche. Ek chele tar bandhobi ke sue koreche cheating korar jonno. Sue er poriman 1350$. Tar bandhobi naki tar best friend er shathe shuyeche.. oboshshoi gurutoro oporadh, kintu tara tader shomporker dam 1350$ ki vabe thik korlo, shei rohoshsho amar ojana. Ar ek nadush nudush vodrolok ke kamre diyeche ek buro mohilar kukur. Buro mohilar kotha hochche kukur ke lathi na dile kukur keno kamrabe, ar nadush nudush vodroloker kotha holo.. kukur jodi kamor nai dey, ami keno take lathi dite jabo! Murgi agey esheche naki dim agey eshecher moto, lathi agey esheche naki kamor agey esheche. Keho kare nahi chare, shomane shoman. 20 bochorer purono bondhu tar onno bondhu ke court’e niye esheche 200$ er jonno. Din rat boshe ei shob judhdho dekhchi ar romanchito hochchi.

Ekta jaygar weather eto bisri hoy ki vabe? Diner por din shurjo dekhi na, dupur 12 tar shomoy ghono kuasha diye shob dhaka thake, mone hoy bhor 6 ta. Halka ektu rod dekhi to ektu por abar ta chute paliye jay. Eto shundor chim-cham bisri rokomer nirjonota bhalo lage na.


Chacha Hoye Gechi

November 1, 2008

Chacha hoye gechi 3 ghonta age.

Kemon lagche bozhate parbo na. Shob onubhuti prokash kora jay na. Hoyto kolpona kora jay, halka patla onuman kora jay but kokhonoi ekzon ar ekzon ke bole bojhate pare na. Shudhu jokhon hoy, tokhon hoy.

Apatoto etai bolar ache: “Eid Mubarak shobai :)”